betse-তে বেশি খেললে বেশি পাবেন। ভিআইপি প্রোগ্রাম মানে শুধু বোনাস নয় – এটা একটা সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা যেখানে আপনাকে সত্যিকারের মূল্য দেওয়া হয়।
betse-তে বেট করলেই পয়েন্ট জমে। যত বেশি পয়েন্ট, তত উপরের স্তরে যাবেন – আর সুবিধাও বাড়তে থাকবে।
অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি প্রোগ্রাম অনেকেই দেয়, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেটা শুধু কাগজে-কলমে। betse-র ভিআইপি প্রোগ্রামটা আলাদা কারণ এটা ডিজাইন করা হয়েছে বাংলাদেশের বেটরদের কথা মাথায় রেখে। এখানে কোনো জটিল শর্ত নেই, লুকানো নিয়মকানুন নেই – যত বেট করবেন, তত স্বয়ংক্রিয়ভাবে পয়েন্ট জমবে এবং লেভেল বাড়বে।
অনেকে জিজ্ঞেস করেন ভিআইপি হতে হলে আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে কিনা। উত্তর হলো না – betse-তে অ্যাকাউন্ট খুললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রোঞ্জ স্তরে শুরু হয়। বেট করলেই পয়েন্ট জমতে থাকে এবং একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ পৌঁছালে পরের স্তরে আপগ্রেড হয়ে যায়।
প্রতি ১০০ টাকা বেটে ১ পয়েন্ট জমে। কিছু বিশেষ খেলায় – যেমন ক্রিকেট বা ফুটবলের বড় ম্যাচে – ডাবল পয়েন্ট ইভেন্ট হয়, তখন একই টাকায় দ্বিগুণ পয়েন্ট পাওয়া যায়। জমানো পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি বেট, বোনাস ক্রেডিট এবং বিশেষ গিফট পাওয়া যায়।
ভিআইপি প্রোগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় সুবিধা হলো সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক। প্রতি সোমবার আগের সপ্তাহের নেট লস হিসাব করে সেই অনুযায়ী ক্যাশব্যাক দেওয়া হয়। এটা সরাসরি ব্যালেন্সে যোগ হয় এবং রোলওভার শর্ত মাত্র ১ গুণ – মানে প্রায় সরাসরি তুলে নেওয়া যায়।
ধরুন আপনি গোল্ড স্তরে আছেন এবং এক সপ্তাহে ৫,০০০ টাকা নেট লস হয়েছে। সেক্ষেত্রে ১০% হিসাবে ৫০০ টাকা সোমবার সকালে অ্যাকাউন্টে ফিরে আসবে। betse-র এই ক্যাশব্যাক সিস্টেমটা অনেক বেটর পছন্দ করেন কারণ এটা হারের ক্ষতিটাকে একটু হলেও পুষিয়ে দেয়।
গোল্ড ও প্লাটিনাম ভিআইপিরা একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পান যার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়। এর মানে সাধারণ লাইভ চ্যাটে যাওয়ার দরকার নেই – যেকোনো সমস্যা বা অনুরোধ সরাসরি পরিচিত মুখের কাছে বলা যায়।
বাংলাদেশের অনেক ভিআইপি সদস্য বলেন যে এই ব্যক্তিগত সেবাটাই betse-কে আলাদা করে তোলে। বড় ম্যাচের আগে বিশেষ অডস নিয়ে কথা বলা, কোনো পেমেন্ট সমস্যায় দ্রুত সমাধান – এই সবেই অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার সাহায্য করেন।
সাধারণ অ্যাকাউন্টে দৈনিক উইথড্রয়াল সীমা ১ লাখ টাকা। কিন্তু ভিআইপি স্তর অনুযায়ী এই সীমা অনেক বেড়ে যায়:
ভিআইপি লেভেল ধরে রাখতে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেট করতে হবে। কোনো মাসে শর্ত পূরণ না হলে পরের মাসে এক ধাপ নিচে নামতে পারেন। তবে দুই মাস সক্রিয় না থাকলেই ডাউনগ্রেড হয়, এক মাস বিরতিতে কিছু হয় না।
"গোল্ড লেভেলে আসার পর থেকে উইথড্রয়াল অনেক দ্রুত হয়েছে। আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন আধঘণ্টার মধ্যেই টাকা পেয়ে যাই।"
"সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাকটা সত্যিই কাজে লাগে। এক সপ্তাহ খারাপ গেলেও ওই ক্যাশব্যাকটা মনোবল ধরে রাখে। betse এটা ভালোই করেছে।"
"প্লাটিনামে আসার পর থেকে ভিআইপি হোস্ট পাচ্ছি। IPL-এর সময় বিশেষ অডস পাই যেটা সবাই পায় না। বড় ম্যাচের আগে নিজে থেকেই ম্যাসেজ করেন।"
"জন্মদিনে বোনাস পেয়েছিলাম, সেটা একটু অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। ভাবিনি এটুকু মনে রাখবে। ছোট বিষয় কিন্তু ভালো লাগে।"
| সুবিধা | Bronze | Silver | Gold | Platinum |
|---|---|---|---|---|
| সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক | ৩% | ৬% | ১০% | ১৫% |
| মাসিক ফ্রি বেট | ×১ | ×৩ | ×৮ | ×২০+ |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | ||||
| দ্রুত উইথড্রয়াল | ||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | ||||
| লাইভ ইভেন্ট আমন্ত্রণ | ||||
| জন্মদিন বোনাস |
সব মিলিয়ে betse-র ভিআইপি প্রোগ্রামটা এমনভাবে তৈরি যে যেকোনো বাজেটের বেটর এখানে কিছু না কিছু সুবিধা পান। ব্রোঞ্জ থেকে শুরু করে প্লাটিনাম পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই মূল্যবান সুবিধা আছে। মূল কথা হলো – নিয়মিত বেট করলেই লেভেল বাড়বে এবং সুবিধাও বাড়তে থাকবে।
প্রতিটি সুবিধা সত্যিকারের মূল্য রাখে – কাগুজে প্রতিশ্রুতি নয়